কক্সবাজারে নারী পর্যটককে ধর্ষণের ঘটনায় মূলহোতা আশিক গ্রেফতার

thai foods

খাসখবর বৃহত্তর চট্টগ্রাম ডেস্ক➤কক্সবাজারে নারী পর্যটককে ধর্ষণের ঘটনায় মূলহোতা আশিকুল ইসলামকে মাদারীপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) মাদারীপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করে। 

thai foods

কক্সবাজারে নারী পর্যটককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মূলহোতা ও প্রধান আসামি আশিকুল ইসলামকে মাদারীপুর থেকে গ্রেফতার করেছে। আজ(২৬ ডিসেম্বর) রাতে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) তাকে মাদারীপুর থেকে গ্রেফতার করে।

জানা গেছে, আশিকুলের বিরুদ্ধে এই মামলা ছাড়াও নারী নির্যাতন, অস্ত্র, ইয়াবার কারবারসহ বিভিন্ন অভিযোগের আরও ১৭টি মামলা রয়েছে। চার মাস আগে কারাগার থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন তিনি

গত বুধবার সন্ধ্যায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্ট থেকে ২৫ বছর বয়সী এক নারী পর্যটককে তুলে নেয়। তারা তার স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে ও হত্যার হুমকি দিয়ে কয়েক দফা ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করা হয়।

পরে খবর পেয়ে গভীর রাতে কক্সবাজারের জিয়া গেস্ট ইন নামের এক হোটেল থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করে র‌্যাব। এ ঘটনায় হোটেলের ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন ছোটনকে আটক করেন র‌্যাব সদস্যরা।

ঘটনার পরদিন বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই নারীর স্বামী চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও তিনজনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার থানায় মামলা করেন।

এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন- আশিকুর রহমান ও তার তিন সহযোগী ইস্রাফিল খোদা ওরফে জয় ও মেহেদী হাসান ওরফে বাবু এবং হোটেল ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন ছোটন। আসামিরা কক্সবাজার শহরসহ জেলার বিভিন্ন স্থানের বাসিন্দা।

এর আগে ওই নারী গণমাধ্যমকে বলেন, বুধবার সকালে কক্সবাজারে পৌঁছে হলিডে মোড়ের একটি হোটেলে ওঠেন তারা। বিকালে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে মার্কেটে ভিড়ের মধ্যে অপরিচিত এক যুবকের সঙ্গে তার স্বামীর ধাক্কা লাগলে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে সন্ধ্যার দিকে পর্যটন গলফ মাঠের সামনে থেকে তার শিশুসন্তান ও স্বামীকে অটোরিকশায় করে তুলে নিয়ে যায় কয়েকজন যুবক। আর তিন যুবক আরেকটি অটোরিকশায় করে ওই নারীকে তুলে নিয়ে গিয়ে গলফ মাঠের পেছনে নির্জন স্থানে ধর্ষণ করে।

ওই তিন যুবক তাকে পরে নিয়ে যায় জিয়া গেস্ট ইন হোটেলে। তৃতীয় তলার একটি কক্ষে আটকে রেখে তাকে আরেক দফা ধর্ষণ করা হয়। ঘটনা কাউকে জানালে সন্তান ও স্বামীকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দিয়ে বাইরে থেকে রুম আটকে চলে যায় ওই তিন যুবক।

পরে হোটেলের তৃতীয় তলার জানালা দিয়ে ডেকে এক ব্যক্তির সহায়তায় কক্ষ থেকে বের হন ওই নারী। স্থানীয়দের সহায়তায় ফোন করে র‌্যাবে অভিযাগ জানান। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে র‌্যাব। আর তার স্বামী ও সন্তানকে উদ্ধার করা হয় পর্যটন গলফ মাঠের সামনে থেকে।

ভুক্তভোগী ওই নারী অভিযোগ করেন, এ বিষয়ে পুলিশের জরুরি সেবার নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে তিনি কোনো সহায়তা পাননি।

গত শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জবানবন্দি দেন ধর্ষণের এই শিকার নারী।

খখ/মো মি

আগেঅভিযান-১০ লঞ্চের মালিক হামজালাল শেখসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
পরে“দেশে আওয়ামীলীগের বিকল্প আওয়ামী লীগই”-ড. হাছান মাহমুদ