খাসখবর নির্বাচন ডেস্ক: ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের বাজেট বরাদ্দে বড় ধরনের বৃদ্ধি প্রস্তাব করেছে সরকার। নতুন অর্থবছরে সংস্থাটির জন্য ৪,৪০১ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের বছরের ২,৯৫৬ কোটি টাকার তুলনায় প্রায় ৪৯ শতাংশ বেশি।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে ৯.৩৮ লাখ কোটি টাকার জাতীয় বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই প্রস্তাব তুলে ধরেন।
গত অর্থবছরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইসির জন্য বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ৯৫৬ কোটি টাকা। তবে একই অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দ বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৩৪৫ কোটি ৬৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
ইসির জন্য আগামী অর্থবছরে ৪ হাজার ৪০০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। যা আগের বছরের চেয়ে বেশি।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে ইসি যেসব কার্যাবলি বাস্তবায়ন করতে চায়: দুইটি সিটি করপোরেশন নির্বাচন, চারটি পৌরসভা সাধারণ নির্বাচন, ১০টি উপজেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচন, ১০টি ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ নির্বাচন এবং জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকারের উপনির্বাচন; কেন্দ্রীয় ও মাঠপর্যায়ে জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপন; ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম; পেপার লেমিনেটেড জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রস্তুত, মুদ্রণ ও বিতরণ; স্মার্টকার্ড দেওয়া; শূন্য হতে ১৮ বছর বয়সের নীচে নাগরিক নিবন্ধন ও এনআইডি দেওয়া।
এছাড়া এনআইডি সিস্টেমের (সিএমএস, বিভিআরএস, এএফআইএস, স্মার্টকার্ড প্রিন্টিং সফটওয়্যার) অডিট (আইএসও/সমপর্যায়ের) ও ডকুমেন্টেশন, প্রবাসেই বাংলাদেশি নাগরিকদের নিবন্ধন ও স্মার্টকার্ড দেওয়া; এনআইডি মিনি আর্কাইড/লাইব্রেরি স্থাপন; কুমিল্লায় অবস্থিত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় তথা আঞ্চলিক সার্ভার স্টেশন ভবন ফাংকশনাল ডিআরএস (ডিজাস্টার রিকভারি সাইট) স্থাপন; এনআইডি সিস্টেমকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর কমন প্লাটফর্মে সংযুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় সাইবার সেন্সর সিস্টেম স্থাপন; এনআইডির তথ্য যাচাই/শনাক্তকরণ সংক্রান্ত পার্টনার সার্ভিস অব্যাহত রাখা; এবং ইসির প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া ও নির্বাচনি ব্যবস্থাপনায় আইসিটি ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা।
খখ/মো মি


