গাজীপুর সিটি নির্বাচনে নতুন মেয়র নির্বাচিত হলেন জায়েদা খাতুন!

thai foods

খাসখবর নির্বাচন ডেস্ক: গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নতুন মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জায়েদা খাতুন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী আজমত উল্লা খানকে ১৬ হাজার ১৯৭ ভোটে হারিয়েছেন তিনি।

thai foods

রাজনীতিতে পোড় খাওয়া আজমত উল্লা খানকে হারিয়ে এই শিল্প অঞ্চলের রাজনীতিতে চমক দেখালেন মা জায়েদা খাতুন।

সাধারণ গৃহিনী থেকে মেয়র পদে নির্বাচন করে প্রথমবারেই জয় ছিনিয়ে এনেছেন এই নারী। সাথে নজর কেড়েছেন সারাদেশের মানুষের। নারায়ণগঞ্জের সেলিনা হায়াৎ আইভীর পর তিনিই দ্বিতীয় নারী, যিনি দেশের কোনো সিটি করপোরেশনের নগর মাতা নির্বাচিত হলেন।

সাধারণ গৃহিণী থেকে বিশেষ পরিস্থিতিতে নির্বাচনে প্রার্থী হয়েই আলোচনায় আসেন ৬১ বছর বয়সী জায়েদা খাতুন। ভোটের প্রচারে নিজেকে জাহাঙ্গীরের মা হিসেবেই পরিচয় দিয়েছেন তিনি।

ভোট গণনা শেষে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্রের প্রাপ্ত হিসাব অনুযায়ী সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের মা জায়েদা খাতুনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

২৫ মে (বৃহস্পতিবার) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এই নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৩৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন জায়েদা খাতুন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আজমত উল্লা খান পেয়েছেন ২ লাখ ২২ হাজার ৭৩৭ ভোট।

হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী গাজী আতাউর রহমান ৪৫ হাজার ৩৫২ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন।

টেবিল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা জায়েদার ছেলে গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে জাহাঙ্গীর তাঁর মা জায়েদা খাতুনকে প্রার্থী করেন। অবশ্য তিনি নিজেও প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু ঋণখেলাপির জামিনদার হওয়ায় তাঁর প্রার্থিতা শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়ে যায়।

পরে আওয়ামী লীগ থেকেও বহিষ্কৃত হন জাহাঙ্গীর আলম। কিন্তু ভোটের লড়াইয়ে কার্যত আজমত উল্লার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জাহাঙ্গীর। মায়ের পক্ষে দিন-রাত প্রচার চালিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে আজমত উল্লাও নির্বাচনী প্রচারে যা বলেছেন, এর প্রায় সবই ছিল জাহাঙ্গীরকেন্দ্রিক।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনে মোট ভোটার ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৪৬৩ জন। নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৫০। ভোট পড়ার হার ৪৮ দশমিক ৭৫। মোট ৪৮০টি কেন্দ্রের সব কটিতেই ইভিএমে ভোট গ্রহণ করা হয়।

নির্বাচনে অন্য মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে লাঙ্গল প্রতীকের জাতীয় পার্টির প্রার্থী এম এম নিয়াজ উদ্দিন পেয়েছেন ১৬ হাজার ৩৬২ ভোট, গোলাপ ফুল প্রতীকের জাকের পার্টির মো. রাজু আহাম্মেদ ৭ হাজার ২০৬ ভোট, মাছ প্রতীকের গণফ্রন্টের প্রার্থী আতিকুল ইসলাম ১৬ হাজার ৯৭৪ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীকের মো. হারুন-অর-রশীদ ২ হাজার ৪২৬ ভোট পেয়েছেন।

খখ/মো মি

আগেপতেঙ্গা থানার নতুন ওসি আফতাব হোসেন
পরেসীতাকুণ্ডে সম্পত্তির লোভে ভাইবৌকে খুন করে অগ্নিকাণ্ডের নাটক সাজান ভাসুর, ওসির বিচক্ষণতায় ধরা পড়ল সস্ত্রীক