বিশ্বে দারিদ্র্য জয়ের আদর্শ বাংলাদেশ-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ দারিদ্র

খাসখবর জাতীয় সংবাদ : বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ আজ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বে দারিদ্র্য জয়ের এক আদর্শ বাংলাদেশ। বিশ্ববাসী আজ বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে আখ্যায়িত করে।

thai foods

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কথাগুলো বলেন।

তিনি বলেন, সুবর্ণজয়ন্তীর এই শুভক্ষণে আমাদের শপথ নিতে হবে কেউ যেন বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে। দেশের গণতান্ত্রিক এবং উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে না পারে।

আসুন, সবাই ভেদাভেদ ভুলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের উন্নত-সমৃদ্ধ অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলি।

স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে জাতির উদ্দ্যেশে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২৬ মার্চ আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস।

এবার স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি হচ্ছে। আমরা উদযাপন করছি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। একইসঙ্গে উদযাপিত হচ্ছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫-পরবর্তী অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী অগণতান্ত্রিক শাসকেরা বাংলাদেশকে আদর্শচ্যুত করেছে। দীর্ঘ একুশ বছর এ দেশের মানুষকে ধোকা দিয়েছে তাঁরা। জনগণের সম্পদ লুণ্ঠন করে তাঁদের অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থানের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত রেখেছে।

বাংলাদেশকে ভিক্ষুকের দেশ হিসেবে বহির্বিশ্বে পরিচিত করেছে। দীর্ঘদিন পরে আওয়ামী লীগ সরকারে এসে দেশকে আবার উন্নয়নের পথে নিয়ে গেছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতা সংগ্রামের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নেতৃত্ব দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছে বলেই আমরা একটি স্বাধীন স্বার্বভৌম রাষ্ট্র পেয়েছি। শেখ মুজিব শুধু একটি নাম নয় একটি দেশও। তিনি স্বপ্ন দেখতেন এ দেশের মানুষের দুঃখ দূর করতে। তিনি জানতেন কিভাবে স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে হয়।’

এ সময় বঙ্গবন্ধুর বক্তব্যকে কোড করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য রাজনীতি করি না, আমি রাজনীতি করেছিলাম সাড়ে সাত কোটি বাঙালীর মুক্তির জন্য। এখন আমার রাজনীতির মুক্তি হয়েছে, আমার অর্থনীতির মুক্তি প্রয়োজন। এটা না হলে স্বাধীনতা বৃথা হয়ে যাবে। যদি বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত না খায়, যদি সুখে বাস না করে, বাংলার মানুষ যদি অত্যাচার থেকে বাঁচতে না পারে। এই স্বাধীনতা বৃথা হয়ে যাবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ শুধু প্রতিবেশী দেশগুলোকেই নয়, অনেক দেশকেই ছাড়িয়ে গেছে। এই উন্নয়নকে নস্যাৎ করতে অনেকেই ওৎ পেতে বসে আছে। তাই সবাইকে সচেতন হয়ে দেশ গঠনে মনোনিবেশ করতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এসময় শেখ হাসিনা বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন তাদের প্রত্যাশা বেশি না হলেও কিছুটা পূরণ করতে পেরেছি।

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে সামনে রেখে আমাদের দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার নতুন করে শপথ নিতে হবে।’

খখ/প্রিন্স

আগেফের লম্বা ছুটি শিক্ষার্থীদের-স্কুল-কলেজ খুলবে ২৩ মে
পরেবঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ’-মো. আবুল হোসেন