খাসখবর নিজস্ব প্রতিবেদক : ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনের প্রতিবাদ মিছিল থেকে হেফাজত-পুলিশ সংঘর্ষে নিহত নিহত চার জনের লাশের অপেক্ষায় চমেক হাসপাতালে রয়েছেন হেফাজতের নেতারা।
পুলিশের গুলিতে আহতদের মধ্যে অন্তত চার জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক দাবী করে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদি।
আজ শুক্রবার রাত সোয়া আটটার সময় তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতারা লাশের অপেক্ষায় হাসপাতালে অবস্থান করছেন। ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ নেয়ার দাবি জানান সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী।
থমথমে হাটহাজারী : ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শণের সময় চারজন নিহত ও পুলিশসহ বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার পর থেকে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে হাটহাজারীর পৌর এলাকায়।
একদিকে হাটহাজারী মাদরাসার ছাত্ররা মাদরাসায় অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে ছাত্রলীগ কর্মীরা প্রধান সড়কে রয়েছে বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা।
শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভ,রবিবার হরতাল : বিক্ষোভ হরতাল শুক্রবার রাত ৯টার দিকে হেফাজতের আমিরের পক্ষ থেকে হরতালের ঘোষণা আসে।
বলা হয় পুলিশের গুলিতে চার নেতা নিহতের ঘটনায় আগামী রবিবার দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে হেফাজত ইসলাম। এছাড়া শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে হেফাজত।
হেফাজতের আমির মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী ভিডিও বার্তার মাধ্যমে এ কর্মসূচি দেন। তিনি বলেন ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নেতা-কর্মী ও প্রতিবাদী মুসল্লিদের হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ এবং পরদিন রবিবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল।
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যা্য় পল্টনে ঢাকা মহারগর হেফাজতের সাধারণ সম্পাদক মামুনুল হক তার পক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এদিকে হেফাজতে ইসলামের আমীর জুনায়েদ বাবুনগরী চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে অবস্থান করছেন।
সেখান থেকে হেফাজতের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, ‘আমরা চাই ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হোক।’
তিনি দাবি করেন, হেফাজতের মোট ৫ জন কর্মী মারা গেছেন। এর মধ্যে চারজন হাটহাজারীতে এবং একজন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।
খখ/প্রিন্স


