খাসখবর চট্টগ্রাম ডেস্ক: চট্টগ্রাম মহানগরীতে পুলিশের ওপর হামলা ও মারধর করার অভিযোগে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত ও ছাত্রসেনার ১২ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মাওলানা রঈস উদ্দিন হত্যার বিচারের দাবিতে অবরোধ কর্মসূচি ও বিক্ষোভ সমাবেশ করার সময় পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।
সোমবার (৫ মে) সকাল ৯টা থেকে দুপুর পর্যন্ত চট্টগ্রাম নগরের মুরাদপুর এলাকায় পুলিশের সঙ্গে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত ও ছাত্রসেনার নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশ তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুঁড়ে। এ সময় ছাত্রসেনা ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের নেতাকর্মীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে।
এ ঘটনায় দুষ্কৃতিকারী ও পুলিশের মারধরে জড়িত থাকার দায়ে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে নগরের পাঁচলাইশ মডেল থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, সোমবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যকার সময়ে ইসলামী ছাত্রসেনা, ইসলামী ফ্রন্ট, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের সদস্যরা মাওলানা রঈস উদ্দিন হত্যার বিচারের দাবিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ব্যতিত ‘অবরোধ কর্মসূচি ও বিক্ষোভ সমাবেশ’ এর নামে হাতে কাঠ ও বাঁশের লাঠি, ইট-পাথর নিয়ে একটি মিছিলসহ পাঁচলাইশ থানাধীন মুরাদপুর মোড়ে জড়ো হয়।
এসময় তারা নাশকতা ও অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থাপনা ও গণপরিবহনে ভাঙ্গচুর করে। তারা পুলিশের সরকারি কাজে বাধা, আক্রমণ ও হামলা করে।
পুলিশ জানায়, তাদের ছোড়া এলোপাতাড়ি ইট-পাথরের আঘাতে পাঁচলাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান, একজন এএসআইসহ ৩ কনস্টেবল আহত হন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আরিফুল ইসলাম প্রকাশ ইয়াছিন, মো আব্দুল মালেক, মো. খালেদ বিন হোসেন, মো. ওসমান গনি, মো. রাকিব হাসান, ইমাম হোসেন, আবদুল কাদের মোহাম্মদ নকিব, আবু সুফিয়ান, মো. জাহিদুল ইসলাম ওরফে রাশেদ, মোস্তফা হোসাইন সোয়াইব, বোরহান উদ্দিন ও এনামুল হক হাসান।
পাঁচলাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, বেআইনীভাবে দলবদ্ধ হয়ে পুলিশের সরকারি কর্তব্য কাজে বাধা প্রদান, আক্রমণ ও আঘাতসহ ভাঙ্গচুর ও ক্ষতিসাধন করার দায়ে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে।
খখ/মো মি


